[email protected] সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
২২ আষাঢ় ১৪৩৩

রাবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তিতে ১০ লাখ টাকার অনুদান, বড়কুঠি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস

আবু বকর সৈকত

প্রকাশিত: ৬ জুলাই ২০২৬, ২১:৫৫
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬ ২১:০৭

ছবি- আলোকিত গৌড়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বৃত্তির জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মস্থান বড়কুঠিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই হস্তান্তর করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১২টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে অনেকেই বিশ্বব্যাপী সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ অবদান রাখা মরহুম মাদার বখশের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে যাদের অবদান রয়েছে, তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তিনি বলেন, উপাচার্য মহোদয় আমার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন। আর দুই বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানাব। আশা করি, তিনি উপস্থিত থাকবেন।

বড়কুঠিকে ফিরিয়ে দেওয়ার পূর্ণ আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, উপাচার্য মহোদয় বড়কুঠি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে বলেছেন। আমি আশা করছি, খুব শিগগিরই বড়কুঠি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে বড়কুঠিকে ফিরিয়ে দিতে ভূমি মন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মস্থান বড়কুঠি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে চলে গেছে। আমি মন্ত্রী মহোদয়কে বলব, যেভাবেই হোক এটি যেন আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় পাকিস্তান সরকার এটি বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্পণ করে। তখন এটি ভাইস চ্যান্সেলর বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হতো। পরে এটি টিচার্স ক্লাব ও কর্মচারী ইউনিয়নের অফিসে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু বড়কুঠি এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে। প্রাচীন এ স্থাপনাটি ফিরে পেতে চান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এজন্য সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ, রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ মো. শফিকুল হক মিলন, রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর