রবিবার (১১ই জানুয়ারি) বিকেলে নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি বন্ধু বাজারে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিসিআইসি ডিলার, বিএডিসি ডিলার,খুচরা সার ডিলার লাইসেন্স অনুমতি ছাড়াই সরকারি সার বিক্রির অভিযোগে বালাইনাশক ডিলার মোঃ নুরুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানের সময় নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: গোলাম রব্বানী সরদার জানান, সরকারি বরাদ্দের সার,গোডাউনে ঘরে স্টক করে রেখেছেন এই ডিলার। এবং সরকার যে মূল্য নির্ধারণ করেছেন তার থেকে প্রতি বস্তায় ৩০০ টাকা বেশি দামে দিয়ে বিক্রি করছেন তিনি এবং মেমো দেখতে চাইলে তুমিও দেখাতে অস্বীকার করে । ক্রেতার কাছে বলে সার নিলে নেন না নিলে না নেন কিন্তু মেমো দিব না। এরকম তথ্য পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেন নাচোল উপজেলা প্রশাসন।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া। তিনি বলেন, অবৈধভাবে সার বেচাকেনায় জড়িত থাকায় সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬-এর ১২(৩) ধারা অনুযায়ী মেসার্স ওয়াদুদ ট্রেডার্স এর ডিলার কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ কৃত ১৭১ বস্তা সার কৃষি অফিসে হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযানের সময় উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম, কৃষি সম্প্রসারণ রায়হানুল ইসলাম, উদ্ভিদবীদ আমিনুল ইসলাম, কসবা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা এস মোহাম্মদ ও থানার এস আই মোঃ তারেকসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ,ডিলারের কাছ থেকে লাইন ধরে সার নিতে হয় কিন্তু সার পাওয়া যায় না। আমরা অনেকেই বিনা সারে ফসল চাষ করছি।
অনেকেই বলেন, যখন কৃষকরা সার সংকটে ভুগছেন, তখনই কিছু অসাধু ডিলার মুনাফার আশায় সার সরকারির মূল্য থেকে বেশি দামে বিক্রয় করছে।
এ বিষয়ে, উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সরকারি সার সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে মনিটর করা হয়। প্রতিটি ইউনিয়নে ডিলারদের কার্যক্রম তদারকির জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া আছে। কোথাও অনিয়ম ধরা পড়লে সঙ্গে, সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে সার কালোবাজারে বিক্রি করে থাকে, তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলোকিত গৌড়/এম.আর
মন্তব্য করুন: