[email protected] শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ জুন ২০২৬, ২২:৩১

ছবি-আলোকিত গৌড়

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী জেলা পশ্চিমের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে তানোরের সরকারি আব্দুল করিম সরকার কলেজে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী জেলা পশ্চিমের সভাপতি রেজুয়ানুল ইসলাম সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন সরকারি আব্দুল করিম সরকার কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলার নায়েবে আমীর মইনুল হোসেন, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ড. ওবাইদুল্লাহ, ছাত্রশিবিরের রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখার অফিস সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, দাওয়াহ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফি, প্রচার সম্পাদক আহসান হাবীব, বরেন্দ্র শিল্পীগোষ্ঠীর পরিচালক নোমান আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিবের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি বলেন, “বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ সবচেয়ে কার্যকর ও সহজ উদ্যোগগুলোর একটি। তরুণ সমাজকে পরিবেশ রক্ষায় আরও বেশি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়তে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”

তিনি আরও বলেন, “একটি হলেও বৃক্ষরোপণ করবো জনে জনে, সবুজ দেশের সুস্থ বাতাস লাগুক সবার প্রাণে—এই প্রত্যয়কে বাস্তবে রূপ দিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

রাজশাহী জেলা পশ্চিম শাখা শিবিরের সভাপতি রেজুয়ানুল ইসলাম বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, বরং পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করা এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া।”

অনুষ্ঠান শেষে জেলার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হয় এবং উপস্থিত ব্যক্তিদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

আলোকিত গৌড়/জে.আর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর