সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের জন্য পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু ভালো খাবার খেলেই হবে না, দিনের শুরুতে কী খাওয়া হচ্ছে সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সকালের প্রথম খাবারের ওপর নির্ভর করে শরীরের সারা দিনের কর্মক্ষমতা, শক্তি ও বিপাক প্রক্রিয়া।
পুষ্টিবিদদের মতে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর সকালের প্রথম খাবার হওয়া উচিত সুষম, হালকা ও পুষ্টিকর। সঠিক খাবার বেছে নিতে পারলে শরীর থাকে সতেজ, কর্মক্ষমতা বাড়ে এবং নানা রোগের ঝুঁকিও কমে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, দিনের শুরুতে এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করলে শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় হয়। এটি শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ রাখতেও সহায়তা করে।
রাতে ভিজিয়ে রাখা ৪ থেকে ৫টি কাঠবাদাম সকালে খেলে মিলতে পারে দারুণ উপকার। কাঠবাদামে থাকা প্রোটিন, ফাইবার ও ভিটামিন-ই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
সকালের নাস্তায় একটি সেদ্ধ ডিম রাখার পরামর্শও দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। ডিমে থাকা উচ্চমানের প্রোটিন শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায় এবং ঘন ঘন ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমায়।
ওটসের সঙ্গে কলা, মধু বা আপেল মিশিয়ে তৈরি করা পরিজও হতে পারে আদর্শ সকালের খাবার। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে এবং হজম প্রক্রিয়াও ভালো রাখে।
এ ছাড়া মৌসুমি ফল সকালের খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা ও আঁশ শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয় এবং ক্লান্তি দূর করে।
পুষ্টিবিদদের ভাষ্য, সকালের খাবার কখনো বাদ দেওয়া উচিত নয়। বরং পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে দিন শুরু করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, শরীর থাকে চাঙা এবং সারা দিনের কাজে মেলে বাড়তি উদ্দীপনা।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: