দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন।
বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ)-র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক সম্মেলনে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সামরিক ও নীতিগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন কিম।
সিউলের প্রতি কঠোর অবস্থান নিলেও ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ করেননি তিনি। কিম জং উন জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপে বসার ইচ্ছা নেই তার। বরং তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘চিরস্থায়ী শত্রু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পিয়ংইয়ং পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে লক্ষ্য করে ব্যবহারযোগ্য ট্যাকটিক্যাল পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে। কিমের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির দ্রুত উন্নয়ন উত্তর কোরিয়াকে একটি স্থায়ী পারমাণবিক শক্তির মর্যাদা দিয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে সুর কিছুটা নরম রেখে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন যদি পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি তাদের ‘শত্রুতামূলক নীতি’ পরিহার করে, তাহলে স্থগিত হয়ে থাকা আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে।
এদিকে সিউলের একীকরণ মন্ত্রণালয় উত্তর কোরিয়ার এ ধরনের মারমুখী অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তঃকোরীয় সম্পর্ককে শত্রুতাপূর্ণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: