কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে এসব হামলা কুয়েতের জনগণের বিরুদ্ধে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি বড় সামরিক সরঞ্জাম গুদাম, একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোনের একটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস করা হয়েছে।
এছাড়া আল-আদিরি ব্যারাকে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের আবাসন এবং দুটি হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গারেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় হতাহত এবং হেলিকপ্টার ও ড্রোনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো যাচাই সম্ভব হয়নি।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে হামলার জবাবে তারা একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
সর্বশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও জটিল এবং যে কোনো সময় অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তেজনা আরও বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, মার্কিন নাগরিক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার চেষ্টা করতে পারে।
বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, বিলম্ব এবং অন্যান্য ভ্রমণ-সংক্রান্ত বিঘ্নের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: