[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
১০ বৈশাখ ১৪৩৩

আজ বিশ্ব বই দিবস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৭

ফাইল ছবি

মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যমের ভিড়ে মানুষের জীবন দিন দিন যান্ত্রিক হয়ে উঠছে। ব্যস্ততার কারণে অনেকেই একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে বই পড়ার অভ্যাস থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। অথচ বই মানুষের চিন্তা, কল্পনা ও জ্ঞানের জগৎকে সমৃদ্ধ করে।

আজ ২৩ এপ্রিল বিশ্ব বই দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে দিবসটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে আসছে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো বই পড়ায় উৎসাহ দেওয়া, প্রকাশনা শিল্পকে সমর্থন করা এবং কপিরাইট সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

বিশ্ব বই দিবসের ধারণাটি প্রথম আসে স্পেনের লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেসের কাছ থেকে। স্পেনের বিখ্যাত সাহিত্যিক মিগেল দে থের্ভান্তেসের স্মরণে ১৯২৩ সাল থেকে স্পেনে ২৩ এপ্রিল দিনটি পালন শুরু হয়। পরে ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে বিশ্ব বই দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরকে সুস্থ রাখতে যেমন পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্ককে সচল রাখতে দরকার মানসিক খাদ্য, আর সেই খাদ্যের অন্যতম উৎস বই। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

এ ছাড়া বই পড়া মানসিক চাপ কমায়, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, কল্পনাশক্তি উন্নত করে এবং যৌক্তিক চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি মনোযোগ বাড়ানো, ভালো ঘুমে সহায়তা করা, সহমর্মিতা বৃদ্ধি এবং সৃজনশীলতা বিকাশেও বইয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বই শুধু জ্ঞানের উৎস নয়, এটি মানুষের জীবনের এক অনন্য সঙ্গী। তাই বিশ্ব বই দিবসে আবারও বইয়ের কাছে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর