আজ ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস (World Intellectual Property Day)। ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘের বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা (WIPO) দিবসটি উদযাপন করে আসছে। বাংলাদেশেও ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “IP and Sports: Ready, Set, Innovate” অর্থাৎ ‘আইপি এবং খেলাধুলা : প্রস্তুত, শুরু, উদ্ভাবন’।
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক, কপিরাইটসহ মেধাসম্পদ অধিকার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি উদ্ভাবক, গবেষক, শিল্পী ও সৃজনশীল মানুষের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং সমাজ উন্নয়ন ও পরিবর্তনে তাদের ভূমিকার প্রতি সম্মান জানানো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় মেধা ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রযুক্তি, চিকিৎসা, বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্প ও খেলাধুলাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই মেধাসম্পদ নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে।
ইতিহাসে বহু মনীষী তাঁদের মেধা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বিশ্বকে সমৃদ্ধ করেছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যেমন আলবার্ট আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিং, স্টিভ জবস কিংবা মার্ক জাকারবার্গের অবদান স্মরণীয়, তেমনি জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় মুসলিম বিশ্বের জাবির ইবনু হাইয়্যান, আল-বিরুনি, ইবনু সিনা, আল খাওয়ারিজমি, আল রাজিসহ বহু মনীষীর অবদানও বিশ্বসভ্যতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মেধাসম্পদ সুরক্ষা নিশ্চিত হলে নতুন উদ্ভাবন, গবেষণা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে গবেষণা, প্রযুক্তি ও সৃষ্টিশীলতায় উৎসাহিত করতে দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, সেমিনার এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: