[email protected] সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রামিসা হত্যা: ১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে সোহেল ও স্বপ্নার বিচার কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২৬, ১৯:২৭

ফাইল ছবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হলে স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজের রুমে নিয়ে যান। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা।

একপর্যায়ে আসামিদের রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তারা শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পান। পরে রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে শিশুটির মাথা পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দি অনুযায়ী, গ্রেফতারের পর ২০ মে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। তিনি জানান, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, শিশুটিকে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণের পর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

আদালতে সোহেল আরও দাবি করেন, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না।

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর