সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক ও বিদায়ী নেতাকর্মীদের ভবিষ্যৎ, ক্যারিয়ার ও বিয়ে প্রসঙ্গে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান সোহাগ নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী তার ব্যক্তিগত আইডি থেকে দেওয়া দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে দাবি করেন, শিবির থেকে বিদায়ের পর অনেক নেতাকর্মী চাকরি না থাকায় বিয়ে করতে পারেন না। এমনকি একই মতাদর্শের পরিবারগুলোও বেকার সাবেক ছাত্রনেতাদের কাছে মেয়েকে বিয়ে দিতে অনাগ্রহ দেখায়।
তিনি লেখেন, “যে যত বড় বুজুর্গ কিংবা জামায়াত নেতা হোক না কেন, কোনো বাবাই তার মেয়েকে কোনো বেকার ছেলের হাতে তুলে দিতে চান না।”
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিছু শিবির নেতা সংগঠন ছাড়ার আগেই নিজেদের ক্যারিয়ার গুছিয়ে নেন এবং সম্ভাবনাময় অবস্থানে পৌঁছান বলেই তারা ভালো পরিবারে বিয়ে করার সুযোগ পান। উদাহরণ হিসেবে তিনি ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদেক কায়েমের প্রসঙ্গ টানেন।
স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়, সাদেক কায়েম ছাত্রশিবিরের রাজনীতি থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি পেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় রাজনৈতিক অবস্থানে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই একটি প্রভাবশালী ব্যবসায়ী পরিবার তার সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক করতে আগ্রহী হয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধুমাত্র সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সময় দিলেই হবে না, ব্যক্তিগত দক্ষতা ও ক্যারিয়ার গঠনের দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে না পারলে বাস্তব জীবনে নানা সংকটে পড়তে হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে বাস্তবতার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করছেন, আবার কেউ বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত ও বিতর্ক তৈরির চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
আলোকিত গৌড়/আ
মন্তব্য করুন: