[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের লংমার্চ ৩১ অক্টোবর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৪৪

সংগৃহিত ছবি

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। আগামী ৩১ অক্টোবর খুলনার ঐতিহাসিক বাবরী চত্বর (শিববাড়ী মোড়) ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মসূচি সফল করতে সার্বিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছে জোটটি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ, এমপি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ করা।

তিনি আরও বলেন, লংমার্চ সফল ও সুশৃঙ্খল করতে ইতোমধ্যে ১৭টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি ও বিভাগভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী রাজধানী ঢাকা থেকে আসা লংমার্চের গাড়িবহরে এক হাজারের বেশি পাজেরো, হাইয়েস, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন যুক্ত থাকবে। ৩১ অক্টোবর বেলা ১১টার মধ্যে গাড়িবহরটি খুলনার বাবরী চত্বরের (শিববাড়ী মোড়) পথসভাস্থলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

লংমার্চের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ উপলক্ষে পোস্টার, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২০টি সুদৃশ্য তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।

পথসভা সফল করতে মূল সমাবেশস্থলে ৪৫ বাই ২৪ বর্গফুটের একটি বিশাল মঞ্চ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সমাবেশ সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ রাখতে শৃঙ্খলা বিভাগের অধীনে বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁরা সমাবেশে আগত মানুষকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও পার্কিং পরিকল্পনা সম্পর্কে অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, লংমার্চ চলাকালে সাধারণ মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিক রাখা এবং যানজট এড়াতে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি যানবাহনের জন্য পৃথক পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় স্বেচ্ছাসেবকেরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, টিম সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপি, এনসিপির মহানগর আহ্বায়ক আহম্মদ হামিম রাহাত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহানগর সভাপতি মুফতি শরীফ সাইদুর রহমান, লেবার পার্টির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. সাইফুদ্দোহা, বিডিপির মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. হানিফ উদ্দিন, জাগপার সভাপতি খান মো. রাশেদসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের অন্যান্য নেতারা।

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর