[email protected] শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২

ফাইল ছবি

হিজরতের প্রায় ১৯ মাস পর ২য় হিজরির ১৭ রমজান, শুক্রবার সকালে (৬২৪ খ্রি. ১১ মার্চ) ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ Battle of Badr সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধেই প্রথমবারের মতো মুসলমানরা মক্কার কোরাইশদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক বিজয় অর্জন করে।

ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, এ যুদ্ধে মুসলিমদের পক্ষে ৬ জন মুহাজির ও ৮ জন আনসারসহ মোট ১৪ জন শহীদ হন। অপরদিকে কোরাইশদের পক্ষে ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি বন্দী হয়। (সূত্র: Ar-Raheeq Al-Makhtum)

ইসলামের ইতিহাসে বদর যুদ্ধকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পবিত্র কোরআনে এ দিনকে ‘ইয়াওমুল ফোরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন বলা হয়েছে। এই বিজয়ের মাধ্যমে ইসলামের দাওয়াত ও অগ্রযাত্রা নতুন গতি পায় এবং মুসলিম উম্মাহ একটি প্রাথমিক অবস্থা থেকে শক্ত ভিত্তির দিকে এগিয়ে যায়।

পবিত্র কোরআনের Surah Al-Imran ও Surah Al-Anfal–এ বদর যুদ্ধের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে মুসলমানদের দুর্বল অবস্থায় আল্লাহর সাহায্য, ফেরেশতাদের অংশগ্রহণ এবং যুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন, “আল্লাহ তোমাদের বদরে সাহায্য করেছেন, অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল।” (সূরা আলে ইমরান: ১২৩)

ঐতিহাসিকদের মতে, বদর যুদ্ধের বিজয়ের পর আরব উপদ্বীপে ইসলামের প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে ইসলামী রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং বহু মানুষের কাছে ইসলামের বার্তা নতুনভাবে পৌঁছে যায়।

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, বদর যুদ্ধ সত্যের পক্ষে সংগ্রাম, ঈমান ও আল্লাহর ওপর ভরসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যা মুসলিম উম্মাহকে যুগে যুগে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

আলোকিত গৌড়/আ

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর